Sunday, 9 September 2018

রান্না ঘরের টিপস - টিপস ২১-৪০


মূলা রান্না করার আগে পাতলা করে খোসা ছাড়িয়ে নিন। গন্ধ কমে যাবে।

আলু বেশিদিন ভালো রাখার জন্য আলুর সাথে ব্যাগে ভরে একটি আপেল রাখুন। আলু সহজে পচে যাবেনা।

টম্যাটো ফ্রিজে পলিথিনে স্টোর করবেন না, বাহিরে পলিথিনে রাখতে পারেন। ভালো থাকবে।

কাঁচামরিচের বোটা ছাড়িয়ে ফ্রিজে রাখুন ও আদাও ফ্রিজে রাখুন বেশিদিন ভালো থাকবে।

ফুলকপি ছোট ছোট করে কেটে এয়ারটাইট প্যাকে ভরে ফ্রিজে রাখতে পারেন।

ক্যাপসিকাম অর্ধেক কেটে ফেলে রাখবেন না। তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে।

বাধাঁকপি রান্না করার সময় প্রায়ই একধরনের গন্ধ বের হয়। সে ক্ষেত্রে রান্না করার সময় পানিতে অল্প লবণ দিয়ে বাঁধাকপিটি ভাপিয়ে নিন। যে পাত্রে রান্না করবেন, সেটা ঢাকবেন না। দেখবেন গন্ধ চলে যাবে

অনেক সময়ই তাড়াতাড়ি স্যুপ রান্না করলে পাতলা হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে দুটি সিদ্ধ আলু ম্যাশ করে স্যুপে মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। স্যুপ ঘন হবে।

ডাল তাড়াতাড়ি রান্না করতে আগেই ভিজিয়ে রাখুন।

মসলাপাতি তাড়াতাড়ি খুঁজে পেতে কৌটার গায়ে নাম লিখে রাখুন।

পরদিন কী রান্না করবেন তা আগের রাতেই ঠিকঠাক করে প্রস্তুতি নিন। তাহলে অল্প সময়ে রান্না হবে।

রান্না করার আগে অবশ্যই মাছ ও সবজির কম্বিনেশন এর ব্যাপারে লক্ষ রাখবেন ।

মাছ রান্না করে হাতের কাছে কাঁচা ধনিয়া পাতা থাকলে তা কুচি করে কেটে বিছিয়ে দিন, স্বাদ কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।

মাংস জাতীয় রান্না করে শেষে বেরেস্তা (পেঁয়াজ কুচি ভাজি) দিয়ে দিন। স্বাদ বেড়ে যাবে।

ডিম সেদ্ধ করতে পানিতে সামান্য লবণ দিন। ডিম খেতে সুস্বাদু হবে। গরমাবস্থায় ডিমের খোসা ছাড়াবেন না। ঠাণ্ডা করে ছাড়ান এতে খোসায় লেগে ডিম নষ্ট হবে না।

চুলার ওপরে থাকা হাড়ি পাতিলে ঢাকনা থাকলে তা খালি হাতে ধরবেন না। গরম থাকলে হাত পুড়ে যেতে পারে।

ভর্তা বানাতে মরিচ খালি হাতে ঢলবেন না, হাত জ্বলে আপনি কষ্ট পেতে পারেন। হামান দিস্তা বা গ্লাস ব্যবহার করুন।

আপনার রেফ্রিজারেটরের ড্রয়ারে পেপার টাওয়েল পেতে খাওয়ার জিনিস বা পানির বোতল রাখুন৷ রেফ্রিজারেটরের ভিতরের অতিরিক্ত আর্দ্রতা পেপার টাওয়েল শুষে নেবে৷

আপনার কি কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দরকার? তাহলে লেবুকে অর্ধেক না করে গোটা লেবুর একটা অংশে ছোট্ট ফুঁটো করে চিপে রস বের করে নিন৷ অর্ধেক কেটে রাখলে লেবু তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়৷

রান্না ঘরের টিপস - টিপস ১-২০



আপনি যদি বিস্কুটের বয়ামের নিচে এক টুকরো ব্লটিং পেপার রাখেন, তাহলে সেই বয়ামে রাখা বিস্কুট সহজে নষ্ট হবে না। বরং সেগুলো শুষ্ক ও মচমচে রাখতে পারবেন অনেক দিন ধরে।

বাজারের সাধারণ মাখন ব্যবহার যত কম করবেন ততই ভালো। বাজারে লো স্যাচুরেটেড ফ্যাট বহনকারী আলাদা মাখন পাওয়া যায়। সেগুলো ব্যবহারের চেষ্টা করুন। এতে শরীরে কোলেস্টেরল বাড়ার ঝুঁকি একেবারেই কম।

কাটা আপেলের উপর হালকা করে লেবুর রস লাগিয়ে দিন। আপেল লালচে হবে না। বরং ফ্রেশ দেখাবে অনেক দিন ধরে!

যদি চামড়ায় কোথাও পুড়ে যায়, ঠান্ডা পানি ঢেলে দিন। এরপর পাকা কলা চ্যাপ্টা করে নিয়ে পোড়া স্থানে লাগিয়ে দিন। জ্বলুনি একদম কমে যাবে।

রান্নাঘরে পোকা কামড় দিতেই পারে। যদি হুলের যন্ত্রণা বেশি হয় তাহলে চুইংগাম চিবিয়ে তার সাথে ১ ড্রপ পানি মিশিয়ে হুল ফোটা স্থানে চেপে ধরুন।কয়েক মিনিটেই ব্যথা মিলিয়ে যাবে।

করলা মাঝখানে কেটে নিয়ে তার ভেতরে লবণ, ময়দা এবং দই এর মিশ্রণ ঢুকিয়ে আধা ঘন্টা রেখে দিন। এরপর কেটে রান্না করুন, স্বাদ বেড়ে যাবে দ্বিগুণ!

জিরা ফ্রেশ রাখতে চাইলে কী করবেন? খুবই সহজ।জিরাগুলোকে এলুমিনিয়াম ফয়েল পেপারে মুড়িয়ে নিশ্চিন্তে ফ্রিজের এক কোণায় রেখে দিন। এরপর ভুলে যান।যখন প্রয়োজন হবে, ফ্রেশ ফ্রেশ জিরা পাবেন।

পাতিলে যদি খাবারের পোড়া দাগ লেগে যায়, অনেক সময় ঘষেও তোলা যায় না।এই ক্ষেত্রে কী করবেন? রান্নাঘরে গিয়ে অল্প কিছু পেঁয়াজ কেটে নিন।এরপর খাবার পোড়া পাতিলে গরম পানি ঢেলে তাতে পেঁয়াজ কুচি রেখে ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন।তারপর পরিষ্কার করুন। দেখবেন পোড়া দাগ উঠে গেছে।

সবজি কাটার জন্য কাঠের চপিং বোর্ড ব্যবহার করুন।প্লাস্টিকের গুলো ব্যবহার না করাই শ্রেয়। কারণ প্লাস্টিকের কুচি সবজির সাথে খাবারে চলে যেতে পারে।

যদি তাজা ধনে পাতা কিংবা পুদিনা পাতা না পাওয়া যায়, আপনি বাজারে এর রেডিমেড গুঁড়ো কিনতে পাবেন।আর এই গুঁড়োকে তাজা এবং ফ্রেশ রাখতে চাইলে মসলিন কাপড়ে মুড়িয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। অনেক দিন ফ্রেশ থাকবে।

রান্নাঘরে খুব তেলাপোকার উপদ্রপ? রান্না ঘরের সিংকের নিচে এবং কোণাগুলোতে বোরিক পাউডার ছড়িয়ে দিন। তেলাপোকা রান্নাঘর তো বটেই, বাড়ি ছেড়ে পালাবে।

যদি পাকা নারকেলের শাঁস তুলতে কষ্ট হয়, তাহলে আধ ঘন্টা পানিতে চুবিয়ে রাখুন।এরপর দেখবেন সহজেই উঠে আসছে।

লেটুস পাতার তাজা ভাব বজায় রাখার জন্য লেটুস পাতা ধোয়ার সময় পানিতে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিন লেটুস পাতা তাজা থাকবে।

বাঁধাকপি ও ফুলকপির সতেজভাব বজায় রাখার জন্য রান্নার সময় এক চা-চামচ লেবুর রস মেশান। দেখবেন সবজির সুন্দর সাদা রঙ বজায় থাকবে।

গোটা ফুলকপি রান্না করার সময় অর্ধেক লেবু ফুলকপির ওপরের অংশে ঘষে নিন। কপির মাঝের অংশ কোনাকুনি কেটে দিন, সহজে সিদ্ধ হবে।

শশা কাটার ১ ঘন্টা আগে লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সালাদ ড্রেসিং সহজে শশার মধ্যে প্রবেশ করবে।

রসুনের কোয়ার ওপর সামান্য তেল ঘষে রোদে শুকনো করে নিন। সহজে রসুনের খোসা ছাড়িয়ে নিতে পারবেন।

কাঁচামরিচের বোঁটা ছাড়িয়ে নিয়ে মাঝখানে চিড়ে রাখুন। তারপর এতে লবণ ও হলুদ মাখিয়ে রোদে শুকিয়ে নিয়ে স্টোর করুন। বেশিদিন তাজা থাকবে।

লেবু বেশিদিন তাজা রাখতে চইলে লবণের কৌটার মধ্যে রাখুন।